৩য় উইকেটের পতন, চরম বিপদে পড়ে গেল বাংলাদেশ

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আলোক স্বল্পতায় তৃতীয় দিনের খেলা শেষ হয়েছিল আগেভাগেই। চতুর্থ দিনের খেলা শুরু হয়েছে তাই আধা ঘণ্টা এগিয়ে সকাল সাড়ে নয়টায়।

সিলেট টেস্ট জিততে হলে বাংলাদেশকে চতুর্থ ইনিংসে নিজেদের সর্বোচ্চ রান তাড়া করে জেতার নতুন রেকর্ড গড়তে হবে। ২০০৯ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে বাংলাদেশ জিতেছিল সর্বোচ্চ ২১৫ রান তাড়া করে, আর সিলেটে করতে হবে ৩২১ রান।

শুরুটা দেখেশুনেই করেছেন দুই ওপেনার ইমরুল কায়েস ও লিটন দাস। বিনা উইকেটে ২৬ রান তুলে তৃতীয় দিন শেষ করেন এই দুজন। জয়ের জন্য এখনো ২৯৫ রান করতে হবে বাংলাদেশকে। ইমরুল ১২ ও লিটন ১৪ রান নিয়ে আজ চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করেছেন।

লক্ষ্যটা বেশ কঠিন হলেও অসম্ভব নয় বলে মনে করছেন বাংলাদেশ কোচ স্টিভ রোডস। বড় কয়েকটি জুটি হলে বাংলাদেশ জিততে পারবে বলের বিশ্বাস তার

সংবাদ সম্মেলনে রোডস বলেছেন, ‘আমরা কয়েকটি ভালো জুটির খোঁজে আছি এবং সেটা সম্ভব হলে আমরা এই ম্যাচ জিততে পারি। রান তাড়া করে এই ম্যাচের সর্বোচ্চ স্কোর গড়া অবশ্যই কঠিন, তবে অর্জন করা অসম্ভব নয়।’

৪র্থ দিনটা বেশ ভালোই শুরু করেছিল টাইগাররা। লিটন-ইমরুলের ব্যাটে এগিয়ে যাচ্ছিল। ম্যাচের ২৩তম ওভারেই ঘটে বিপত্তি। সিকান্দার রাজার শর্ট পিচ ডেলিভারিটা বাউন্ডারি হাকাঁতে গিয়ে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে ২৩ রান করে মাঠ ছাড়েন লিটন।

লিটনের পর ব্যাট হাতে ফের ব্যর্থ হন মুমিনুল। জার্ভিসের বলে আউট হওয়ার আগে তার ব্যাট থেকে আসে মাত্র ৯ রান। মুমিনুলের পর ইমরুল ফিরেছেন ৪৩ রান করে।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩৭ ওভার শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৮৩ রান। শান্ত ০ ও মাহমুদউল্লাহ ৫ রান করে ব্যাট করছেন।