আশরাফুলের বিশ্বকাপে খেলার বিষয়ে যা বললেন পাপন

২ ম্যাচে ব্যার্থ হওয়ার পরে আবারো একটি সুযোগ দেওয়া হয় আশরাফুলকে।কিন্তু সুযোগকে এইদিন কাজে লাগআতে পারেননি তিনি। এইদিন তিনি আউট হয়েছেন শূণ্য রানেই।বিপিএলের পরেই ১৩ই ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ডের সিরিজ। সেখানে আশরাফুলের কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু নিউজিল্যান্ড সিরিজ চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশে শুরু হচ্ছে ডিপিএল।ডিপিএলে আশরাফুল যদি ভাল পারফর্ম করে নিজেকে প্রমাণ করতে পারে তাহলে তার সুযোগ অনেক খানি বেড়ে যাবে।কিন্তু আশরাফুলে সুযোগ পেয়েও বরাবরই তার ভক্তদের নিরাশ করছে।

আশরাফুলের ব্যাপারে কথা বলতে গিয়ে নান্নু ও পাপন জানান, ডিপিএল ই হলো বিশ্বকাপের জন্য নিজেকে প্রমাণ করার বড় একটি চ্যালেঞ্জ।যে নিজেকে প্রমাণ করতে পারবে সে অবশ্যই দলে জায়গা করে নিতে পারবে নিজেকে,সেটা যদি আশরাফুলও করতে পারে তাহলে সে খেলবে বিশ্বকাপের স্কোয়াডে সমস্যার তোহ কিছু নেই এখানে।

বিশ্বকাপ যেন কিছুদিন পরেই শুরু হতে যাচ্ছে। আর সেই সময়টাও বেশিদিন না। মাত্র আড়াইমাস পরেই শুরু হতে যাচ্ছে সেই আসর। তার সেই আসরের প্রাথমিক দল ঘোষণা হতে যাচ্ছে আর কিছুদিন পরেই। আর সেই দলেই রাখা হয়েছে তাসকিনকে। এমনকি সুযোগ পেতে পারেন আশরাফুলও।

বিসিবি সভাপতিপ্রাথমিক দল নিয়ে প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন সাংবাদিকদের বললেন, ‘লজিস্টিকের কিছু বিষয় আছে। সে কারণেই প্রাথমিক দলটা করে দিয়েছি। খেলোয়াড়েরাও মানসিকভাবে যেন তৈরি হয়, সেটিও একটা কারণ। বিশ্বকাপের আগে আমাদের প্রোগ্রাম সব ঠিক হয়ে আছে।

সেটির একটা হচ্ছে এই প্রাথমিক দল ঘোষণা। আইসিসির বেঁধে দেওয়া সময় অনুযায়ী এপ্রিলের মাঝামাঝি সময়ে চূড়ান্ত দল দিয়ে দেব। ২১-২২ এপ্রিলের দিকে আয়ারল্যান্ড চলে যাবে দল। সেখানে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলবে। আয়ারল্যান্ড থেকে যাবে বিশ্বকাপে।’

বোলিংয়ে বাংলাদেশের শক্তি বলতেই চলে আসে স্পিনারদের কথা। কিন্তু প্রথমবারের মতো ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে স্পিন শক্তি বাদ দিয়ে পেস নির্ভর দল গঠন করতে চায় বাংলাদেশ। এমনকি প্রথমবারের মতো চার পেসার নিয়ে একাদশ সাজানোর পরিকল্পনা ও করছে টাইগাররা। এমনটাই জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের গেম ডেভেলপমেন্ট চেয়ারম্যান খালেদ মাহমুদ সুজন।

এ ব্যাপারে তিনি বলেন, অভিজ্ঞ দুই পেসার মাশরাফি ও রুবেলের সঙ্গে থাকবেন মোস্তাফিজুর রহমান ও হালের পারফর্মার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। বাড়তি একজন পেসার নেয়া হলে থাকতে পারেন তাসকিন আহমেদ, এবাদত হোসেন কিংবা আবু যায়েদ রাহির ভেতর থেকে যে কেউ। তবে তাসকিন আহমেদের থাকা না থাকা নির্ভর করছে তা ফিটনেসের ওপর।