এই সেই দম্পতি যাদের ভালোবাসা সিনেমার গল্পকেও হার মানায়

সাধারণত সেলিব্রিটিদেরই ট্রল করা হয়। তবে কখনো কখনো সাধারণ মানুষের যদি কোনও আজব ছবি দেখা যায়, তাহলেও সেই সমস্ত ছবিগুলোকে নিয়ে ট্রল শুরু হয়। কিছুদিন ধরে পুরো ইন্টারনেট জুড়ে এই দম্পতির ছবি ঘোরাঘুরি করছে। তাদের ভালোবাসা নিয়ে ইন্টারনেটে ট্রল চলছে। কিন্তু কেন?

স্বামী-স্ত্রী দুজনের গায়ে রঙ তো দেখতেই পাচ্ছেন। এইরকম ছবিও কোনও কোনও মেয়েদের খোঁচাতে বা ছেলেদের ক্ষেপাতে কাজে লাগানো যেতে পারে। তাই বেছে নেয়া হয়েছে ট্রলের জন্য। কিন্তু আপনাদের জানিয়ে রাখি, ছবিতে যে ছেলেটিকে দেখা যাচ্ছে, সে কোনও সাধারন ছেলে নয়। বরং তিনি একজন সেলিব্রিটি। আপনি কি জানতে চাইবেন না, ইনি কে?

‘ভালোবাসা রূপ দেখে নয়, মন দেখে হয়’ এই কথা আমরা সবাই জানি। আর এই দু’জনকে দেখে বোঝা যায়, সেই কথাটা কতটা সত্যি। এই দু’জন বিয়ে করার বহু আগে থেকেই প্রেম করছেন। এদের সম্পর্ক বিয়ের আগে চার বছরের ছিল।

আগেই বলেছি, এরা দুজনই সিনেমা জগতের সাথে জড়িত। তাই একটি সিরিয়ালের শুটিংয়ের প্রথম দিনেই এদের একে অপরের সাথে আলাপ হয় এবং সিরিয়ালের শুরুর পার্টিতে তাদের বাবা-মায়েরা একে অন্যের সাথে আলাপ করেন।

একে অপরের অভিভাবকদেরও তাদের দু’জনকে খুব পছন্দ ছিল। কিন্তু তারা এই কথাটি লুকিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু যখন এই ছেলে মেয়ে নিজেদের বিয়ের কথা তাদের বাবা-মাকে বলতে যান, তখন তারা জানতে পারেন যে তার বাবা-মা তো অনেক আগে থেকেই তাদের বিয়ে একে অন্যের সাথে ঠিক করে রেখেছেন। ২০১৪ সালের নভেম্বর মাসে তাদের বিয়ে হয়।

ছেলেটির নাম পটলী কুমার, তার আর এক নাম অরুণ কুমার। দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমায় অনেক বড় নামকরা একজন ব্যক্তিত্ব তিনি। অরুণ ভারতীয় সিনেমার নির্দেশক এবং লেখক হিসেবে পরিচিত। কিন্তু তিনি বেশিরভাগ সময়ই তামিল সিনেমাতেই কাজ করেছেন।

অরুণ তার প্রথম সিনেমা ‘রাজা-রানী’র জন্য শ্রেষ্ঠ পরিচালকের পুরস্কার জিতেছিলেন। এছাড়াও তিনি অনেক বিখ্যাত সুপারহিট সিনেমার নির্দেশনা দিয়েছেন।

তার নির্দেশনায় দ্বিতীয় সিনেমা ‘থেরি’ ২০১৬ সালে সবথেকে বেশি ব্যবসা করা সিনেমা হিসেবে সামনে এসেছিল। এর পরে অরুণ ‘এনথ্রিয়ান’ এবং ‘থ্রি ইডিয়টস’র রিমেক করেছিলেন।

এবার আসি অরুণের স্ত্রীর পরিচয় নিয়ে। নাম তার কৃষ্ণপ্রিয়া। তিনি টেলিভিশন জগতের অনেক বড় একজন তারকা। তিনি অনেকগুলি সিনেমাও করেছেন। ‘নান মহান আল্লা’, ‘রেড চিলিস’ এবং ‘ডিভাইন’ তার মধ্যে অন্যতম। – এইচএমজেড